১ভুল ধারণা বনাম সত্য
| ভুল ধারণা | আসল সত্য |
|---|---|
| রক্ত দিলে শরীর দুর্বল হয়ে যায় | সুস্থ মানুষের শরীর ১–২ দিনে তরল অংশ আর কয়েক সপ্তাহে লোহিত কণিকা পূরণ করে নেয়। সেদিন সামান্য ক্লান্তি লাগতে পারে, এর বেশি নয়। |
| রক্ত দিলে রোগ ছড়ায় | প্রতিটি রক্তদাতার জন্য নতুন, একবার ব্যবহারের সুই আর ব্যাগ। রক্তদাতার কোনো রোগ হওয়ার ঝুঁকি নেই। |
| খুব ব্যথা লাগে | শুধু সুই ঢোকানোর সময় পিঁপড়ার কামড়ের মতো সামান্য ব্যথা। |
| নারীরা রক্ত দিতে পারেন না | ওজন আর হিমোগ্লোবিন ঠিক থাকলে নারীরাও নিয়মিত রক্ত দিতে পারেন। |
| ডায়াবেটিস বা প্রেসার থাকলে কখনোই নয় | ওষুধে নিয়ন্ত্রণে থাকলে অনেকেই দিতে পারেন। ব্লাড ব্যাংকের চিকিৎসক দেখে সিদ্ধান্ত নেন। |
| একবার দিলে নিয়মিত দিতেই হবে | না, রক্ত দেওয়া সম্পূর্ণ আপনার ইচ্ছা। শরীরের ওপর এমন কোনো অভ্যাস তৈরি হয় না। |
| রক্ত দিলে মোটা বা শুকিয়ে যায় | রক্তদানের সাথে ওজন বাড়া-কমার কোনো সম্পর্ক নেই। |
২রক্তদাতার নিজের লাভ
- বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা: হিমোগ্লোবিন, রক্তচাপ আর রক্তবাহিত কয়েকটি রোগের (হেপাটাইটিস বি ও সি, এইচআইভি, সিফিলিস, ম্যালেরিয়া) স্ক্রিনিং;
- নতুন রক্তকণিকা: দানের পর শরীর নতুন লোহিত কণিকা তৈরি করে;
- মানসিক তৃপ্তি: এক ব্যাগ রক্ত থেকে তৈরি উপাদানে একাধিক রোগীর চিকিৎসা হতে পারে;
- নিজের গ্রুপ জানা থাকে, যা পরিবারের জরুরি মুহূর্তে কাজে আসে।
৩রক্তের বিনিময়ে টাকা: সাবধান
স্বেচ্ছায়, বিনামূল্যে দেওয়া রক্তই সবচেয়ে নিরাপদ। টাকার জন্য রক্ত দেওয়া মানুষ অনেক সময় নিজের অসুখের কথা লুকান। আবার জরুরি মুহূর্তে কিছু প্রতারক রক্ত দেওয়ার কথা বলে আগে টাকা নিয়ে উধাও হয়ে যায়।
৪প্রথমবার রক্ত দিতে চান?
- ১কে রক্ত দিতে পারবেন পড়ে দেখুন আপনি যোগ্য কিনা।
- ২রক্ত দেওয়ার আগে ও পরে কী করবেন জেনে নিন।
- ৩রক্তদাতা হিসেবে রেজিস্ট্রেশন করুন, যাতে আপনার এলাকার রোগীরা আপনাকে খুঁজে পান।