১ডেঙ্গুর তিনটি ধাপ
| ধাপ | সময় | কী হয় |
|---|---|---|
| জ্বরের ধাপ | ১ম–৩য় দিন | হঠাৎ উচ্চ জ্বর, মাথা, চোখের পেছনে আর গায়ে ব্যথা |
| ঝুঁকির ধাপ (ক্রিটিক্যাল) | সাধারণত ৩য়–৭ম দিন | জ্বর কমে আসে, কিন্তু রক্তনালি থেকে প্লাজমা বেরিয়ে যেতে পারে; ২৪–৪৮ ঘণ্টা থাকে |
| সেরে ওঠার ধাপ | এর পরের ২–৩ দিন | খিদে ফেরে, প্রস্রাব বাড়ে, প্লাটিলেট বাড়তে থাকে |
২যে লক্ষণ দেখলে সাথে সাথে হাসপাতালে যাবেন
- পেটে তীব্র ব্যথা বা পেট চেপে ধরলে ব্যথা;
- বারবার বমি, কিছুই পেটে থাকছে না;
- নাক, মাড়ি থেকে রক্ত পড়া, কালো পায়খানা, রক্তবমি বা প্রস্রাবে রক্ত;
- গায়ে লাল লাল দাগ বা ছোপ যা চাপ দিলে মিলিয়ে যায় না;
- অস্থিরতা, অস্বাভাবিক ঘুম ঘুম ভাব বা আচ্ছন্ন হয়ে থাকা;
- হাত-পা ঠান্ডা, ঘামে ভেজা, নাড়ি দুর্বল;
- ৪–৬ ঘণ্টা ধরে প্রস্রাব না হওয়া;
- শ্বাসকষ্ট, পেট বা বুকে পানি জমার মতো ফোলা ভাব।
শিশু, গর্ভবতী নারী, বয়স্ক মানুষ আর যাঁদের ডায়াবেটিস, কিডনি বা হৃদরোগ আছে, তাঁদের ঝুঁকি বেশি। তাঁদের ক্ষেত্রে শুরু থেকেই চিকিৎসকের পরামর্শে থাকুন।
৩কোন পরীক্ষা কখন
| পরীক্ষা | কখন | কেন |
|---|---|---|
| NS1 অ্যান্টিজেন | জ্বরের ১ম–৩য় দিন | শুরুতেই ডেঙ্গু শনাক্ত করতে |
| অ্যান্টিবডি (IgM/IgG) | জ্বরের ৫ম দিনের পর | পরে ডেঙ্গু নিশ্চিত হতে |
| CBC (প্লাটিলেট ও হেমাটোক্রিট) | চিকিৎসকের পরামর্শে, প্রায়ই প্রতিদিন | প্লাটিলেট কমছে আর রক্ত ঘন হচ্ছে কিনা দেখতে |
হেমাটোক্রিট (HCT) বাড়তে থাকা আর একই সময়ে প্লাটিলেট দ্রুত কমা প্লাজমা লিকেজের লক্ষণ। এই অবস্থায় শিরায় সঠিক মাত্রায় স্যালাইন দেওয়াই প্রধান চিকিৎসা। প্লাটিলেটের সংখ্যা নিয়ে আরও জানতে পড়ুন ডেঙ্গুতে প্লাটিলেট কত হলে রক্ত লাগে।
৪হাসপাতালে যাওয়ার আগে হাতে রাখুন
- আগের সব রিপোর্ট আর ওষুধের তালিকা;
- রোগীর রক্তের গ্রুপ (না জানলে হাসপাতালেই পরীক্ষা করিয়ে নিন);
- রক্ত বা প্লাটিলেট লাগতে পারে ভেবে আগে থেকেই একই গ্রুপের ২–৩ জন ডোনারের নাম্বার।